Shadow

ভবেশবাবুর ইচ্ছাশক্তি – চন্দ্রকান্তি দত্ত

PC: The News 24
ভবেশবাবুর ইচ্ছাশক্তি

   চন্দ্রকান্তি দত্ত


মুড়ির বাটি হাতে টেলিভিশনের সামনে গুছিয়ে বসেছেন ভবেশবাবু। সাড়ে সাতটা এখনও বাজে নি। তাই টেলিভিশন না চালিয়ে একমনে মুড়ি খাচ্ছেন। সন্ধ্যেবেলা এই সাতটাসাড়ে সাতটা নাগাদ ভবেশবাবু এক বাটি মুড়ি খান। মুড়ি মানে অবশ্য শুধু মুড়ি নয়, মুড়িমাখা। এর আগে সাতটার মধ্যে তিনজনে একসাথে চা খান। গিন্নী মোটামুটি ছটা দশপনেরোতে অফিস থেকে ফিরলে চা বসানো হয়। কোনদিন ভবেশবাবু বসান, কোনদিন মেয়ে। তারপর ধীরে সুস্থে এই মুড়ির আয়োজনটা হয়। ভবেশবাবু চিরকাল মুড়ির ভক্ত। গিন্নী গা ধুয়ে এসে তেল, পিঁয়াজকুচি, লঙ্কাকুচি, সেউভাজা, শুকনো বাদাম ভাজা আর নারকেল থাকলে নারকেল কুচি দিয়ে মুড়ি মাখিয়ে দেন। ভবেশবাবু একটা মাঝারি আকারের বাটিতে মুড়িমাখা নিয়ে বসেন। মুড়ি খাওয়ার সাথে সাথে টেলিভিশনের চ্যানেল পাল্টে পাল্টে পছন্দের খবরের অনুষ্ঠানগুলো দেখেন।

এখন আইপিএল চলছে। তাই ভবেশবাবুর মন এখন ক্রিকেটে ব্যস্ত। আজ কেকেআর এর খেলা আছে। দলটা প্লেঅফে উঠবে কিনা সন্দেহ দেখা দিয়েছে। প্রথমদিকের খেলাগুলোতে জিতলেও এখন পরপর হারছে। ভবেশবাবু কেকেআরএর জন্য কিছুটা উদ্বেগে আছেন।

আজকের খেলায় কেকেআর প্রথমে ব্যাট করবে। ভবেশবাবু দেখলেন, রহমানুল্লাহ গুরবাজের সাথে ভেঙ্কটেশ আইয়ার শুরুতে নামছে। ভবেশবাবু খুশী হলেন। ভেঙ্কটেশ ছেলেটার উপরে ভবেশবাবুর একটু দুর্বলতা জন্মেছে। ২০২১শে ছেলেটা আইপিএলে যে দক্ষতার ছাপ রেখেছিল, মনে হয়েছিল ছেলেটা লম্বা দৌড়ের ঘোড়া। কিন্তু ইদানীং, মানে বিশেষ করে এবছর, ওর সেই দক্ষতাটা ঠিক চোখে পড়ছে না। ছেলেটা ভাল খেলে। তবে শর্টপিচ বলে কিছু দুর্বলতা আছে। শর্টপিচ বল বাউন্স করে বুকের উচ্চতায় উঠলে ছেলেটা সামলাতে পারছে না। বেশীর ভাগ ম্যাচে এভাবেই আউট হচ্ছে। তবু ভবেশবাবু ওর খেলা ভালবাসেন। খেলা শুরুর পরে পরেই ভবেশবাবুর হঠাৎ মনে হল, আজ ভেঙ্কটেশ তাড়াতাড়ি আউট হবে না। মরসুমের প্রথম সেঞ্চুরীটা আজ করবে। চিন্তাটা মাথায় আসার সাথে সাথে ভবেশবাবুর উদ্বেগ   উত্তেজনা কয়েকগুন বেড়ে গেল। তিনি তাঁর প্রিয় মুড়িমাখা পর্যন্ত খেতে ভুলে গেলেন। গিন্নী দুবার তাড়া দিয়ে যেতে তবে তাঁর মুড়ির কথা মনে পড়ল। মুড়িটা তিনি কোনরকমে শেষ করলেন ঠিকই, কিন্তু সেই মনোহরা স্বাদ যেন ঠিকমতো অনুভব করতে পারলেন না।

এদিকে ভবেশবাবুর চিন্তাকে সত্যি প্রমাণ করে ভেঙ্কটেশ সেদিন একশ রানের গণ্ডি অতিক্রম করে গেল। ভবেশবাবু এই পঁয়ষট্টি বছর বয়সেও প্রায় লাফিয়ে উঠলেন। মনটা আনন্দে নাচানাচি আরম্ভ করে দিল। ভেঙ্কটেশ সেঞ্চুরী করেছে। তার চেয়েও বড় কথা আজই কেন ভবেশবাবুর মনে এই চিন্তাটা এল। তবে কি তাঁর চিন্তাভাবনার বিশেষ কিছু ক্ষমতা আছে? ভবেশবাবু খেলা দেখা ভুলে নিজের চিন্তাশক্তি নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।
                     * * * * * *
সারাদিন প্রবল গরমের পর সেদিন বিকেলের দিকে হঠাৎ আকাশটা ঘন মেঘে ঢেকে গেল। বাতাস বন্ধ হয়ে আবহাওয়া আরও থমথমে হয়ে উঠল।  দেখে বোঝা যাচ্ছিল, যে কোন মুহূর্তে ঝড়  উঠবে। সেদিন আবার অফিস ছুটির পর গিন্নীর কলেজ ষ্ট্রীট যাওয়ার কথা ছিল মেয়ের দুটো বই কিনতে। কিন্তু আবহাওয়ার অবস্থা দেখে ভবেশবাবু চাইছিলেন না গিন্নী আজ কোথাও যাক। গিন্নীকে যে ফোন করে বারণ করবেন, সেটাও সাহসে কুলোচ্ছিল না। কেন কুলোচ্ছিল না সেটা অবশ্য ভবেশবাবুই জানেন। এদিকে ঝড় উঠল বলে। ভবেশবাবুর উদ্বেগ বাড়তে লাগল। তিনি অকারণে ঘরময় পায়চারি করতে লাগলেন। মনে একটাই ইচ্ছে, গিন্নী কোথাও না গিয়ে সোজা ঘরে চলে আসুক।

ঘড়িতে তখন ছটা বেজে বারো মিনিট। দরজায় কলিংএর ঘন্টাটা বেজে উঠল। ভবেশবাবুকে চিন্তামুক্ত করে গিন্নী সোজা বাড়ি চলে এসেছে। ভবেশবাবু হৃষ্টচিত্তে চা বসাতে রান্নাঘরে ঢুকলেন। মনে মনে ভাবলেন, বড্ডো ভাল হয়েছে। ঝড় ওঠার আগেই ঘরে চলে এসে গিন্নী বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। পরমুহূর্তেই আবার এই ভাবনাও মাথায় এল যে এটা আবার তাঁর নিজের চিন্তাশক্তির ফল নয়তো? হতেও পারে। তো ভারি মজা! যা ভাবছি, তাই হচ্ছে

ভবেশবাবু নিজের এই আশ্চর্য ক্ষমতা সম্পর্কে  আপ্লুত। পঁয়ষট্টি বছরের এই পড়ন্ত বয়সেও তাঁর চিত্ত চাঞ্চল্য দেখা দিল। বাড়িতে যখন তিনি একা থাকেন তখন তাঁর মাথায় নিজের ক্ষমতা পরীক্ষার ভুত চাপে। সেদিন হঠাৎ দেখলেন, বড় সোফাটা কেউ একটু ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে। ওটা দেওয়ালে লেগে গেছে। ভবেশবাবু উঠে গিয়ে সোফাটা একটু সামনে টেনে নেওয়ার পরিবর্তে নিজের চিন্তাশক্তি প্রয়োগ করে ওটাকে সরাতে চাইলেন। সোফা একচুলও নড়ল না। ভবেশবাবু ব্যর্থ হলেও ভেঙে পড়লেন না। ভাবলেন, চিন্তা বা ইচ্ছের প্রয়োগটা হয়ত জোরালো হয় নি। দেখা যাক।

সন্ধায় যখন তিনি রোজকার মত টেলিভিশনের সামনে বসতে গেলেন, অবাক চোখে দেখলেন, সোফা দেওয়াল থেকে ইঞ্চি খানেক সরে এসেছে। ভবেশবাবুর মন তখন এতটাই উল্লসিত যে সোফাটা অন্য কেউ সরিয়েছে কিনা সে চিন্তাও তাঁর মাথায় এল না। তিনি সোজা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন যে এটা তাঁর নিজের ইচ্ছাশক্তির ফল। পরবর্তী ঘন্টাদুয়েক ভবেশবাবু টেলিভিশনে খবর শুনলেন ঠিকই, কিন্ত তাঁর মাথায় কিছু ঢুকেছে বলে মনে হল না।
              *  *  *  *  *  *
ভবেশবাবুর বাড়ি একটা চৌমাথার মোড়ে। ডানদিকে কিছু দূরে একটা কুখ্যাত বস্তি আছে। ভবেশবাবু শুনেছেন, ওই বস্তিতে যাদের বসবাস, তাদের মধ্যে অনেকেই নানা রকম অসামাজিক কাজে লিপ্ত। তিনি ঐদিকটা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলেন।
গত মাস তিনেক ভবেশবাবু দেখছেন, বছর পঁচিশ ছাব্বিশের একটা ছেলে প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যা নামলেই মোড়ের মাথায় দাঁড়িয়ে মাতলামী করছে। চ্যাঁচামেচিও করছে। ব্যাপারটা ক্রমশঃ সহ্যের সীমা অতিক্রম করলেও স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ ঝামেলায় জড়াতে চাইছেন না।
একদিন টেলিভিশন দেখার সময় ভবেশবাবু উপলব্ধি করলেন যে ছেলেটির চেঁচামেচি মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। খবরও ঠিকমতো শোনা যাচ্ছে না। ভবেশবাবুর মনে হল, এপাড়াতে কেউই কি নেই যে এই উপদ্রবটা বন্ধ করতে পারে। অনেক হল। আর তো সহ্য করা যাচ্ছে না।

ভবেশবাবুকে অবাক করে দেখা গেল এতদিনের উপদ্রব পরদিন থেকে হঠাৎ উধাও। কেউ যেন  জাদুকাঠি ছুঁইয়ে দিয়েছে। ভবেশবাবুর আজও টেলিভিশন দেখা মাথায় উঠল। তিনি মনে মনে পর্যালোচনা করতে বসলেন, ঘটনাটা ঠিক কি ঘটল। পাড়ার কেউ কি সাহস করে দায়িত্বটা নিলেন। হবে হয়ত। কিন্তু তিনি একথাও ভাবলেন যে, ব্যাপারে তাঁর নিজের কৃতিত্বও কিছু কম নয়। এতদিন পরে কালকেই তিনি ঝামেলাটা মেটানোর কথা ভেবেছেন আর আশ্চর্যজনক ভাবে কালই ওটা মিটে গেল। সুতরাং কেউ জানুক বা না জানুক, এখানে ভবেশবাবুর ইচ্ছাশক্তির প্রভাবও অনস্বীকার্য। ভবেশবাবু আবারও অতিশয় চঞ্চল।
                    * * * * * * *
আইপিএল চলছে। গুজরাট টাইটানের সাথে মুম্বাই ইন্ডিয়ানের খেলা। এবার বোলারদের মধ্যে উইকেট নেওয়ার দৌড়ে দুজনের মধ্যে সমানে টক্কর চলেছে। দুজনেই গুজরাট দলের। একজন মহম্মদ শামি অন্যজন রসিদ খান। মহম্মদ শামি একটু এগিয়ে আছে। ভবেশবাবু যদিও রসিদ খানের খেলাও খুব ভালবাসেন, তবু তিনি মনে প্রাণে চান বেগুনী টুপিটা শামিই পাক। আজকে শামি যদি গোটা দুয়েক উইকেট নিতে পারে তাহলে রসিদ খানের পক্ষে কাজটা কঠিন হয়ে যাবে। খেলার শেষে দেখা গেল, এই ম্যাচে শামি মোট চারটে উইকেট নিয়েছে। রসিদ বা শামির কি প্রতিক্রিয়া হল সেটা তখন তখনই জানা না গেলেও ভবেশবাবুর প্রতিক্রিয়া খুব সহজেই বোঝা গেল। তিনি সব ভুলে একান্তভাবে নিজের ইচ্ছাশক্তির তারিফ করতে লাগলেন।

আরও একটা ঘটনা ভবেশবাবুর ধারনাকে বদ্ধমূল করে দিল। সেদিনও আইপিএল চলছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সাথে রাজস্থান রয়েলসএর খেলা। আজকের  খেলাটার খুব একটা গুরুত্ব নেই। কারণ, প্লেঅফে যাওয়ার জন্য চারটে দল ইতিমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে।
যাই হোক সানরাইজার্সএর ব্যাটাররা ব্যাট করছে। ভবেশবাবুর এতকাল যা মনে হয়নি, আজ তাই মনে হল। তিনি ভাবলেন, দুজন ব্যাটার যখন দৌড়চ্ছেন তখন ওদের পারস্পরিক দূরত্ব এত কম থাকছে যে যেকোন সময় ধাক্কা লেগে যেতে পারে। যেই ভাবা ওমনি ঘটনাটা ঘটে গেল। দুজনে ধাক্কা লাগল এবং ফলস্বরূপ, একজন রান আউট হলেন। ভবেশবাবু অভিভূত। না, আর কোন সন্দেহ রইল না। তিনি সত্যিই এক আধিদৈবিক মানসিক শক্তির  অধিকারী। 

পরবর্তী কিছু দিনের ঘটনাপ্রবাহ ভবেশবাবুর মানসিক স্থিতি সম্পর্কে মানুষের মনে কিছু ভুল ধারনার সৃষ্টি করল। ভবেশবাবু আর যেন সেই মানুষ নেই। ভবেশবাবুর আচারব্যবহারে কিছু অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিচিত মানুষজন অন্ততঃ সেরকমই অনুভব করছেন। ভবেশবাবু পারতপক্ষে কারো সাথে কথা বলছেন না। সব সময় কিছু একটা ভাবছেন। কি ভাবছেন তাও বোঝা যাচ্ছে না। বাড়িতে গৃহিণী মেয়ে, দুজনেই চিন্তিত। ইতিমধ্যে ভবেশবাবু দুবার পথদুর্ঘটনা থেকে বেঁচেছেন। দুবারই গাড়ি চালকের তৎপরতা তাঁকে বাঁচিয়েছে। চেনা মানুষেরা বলছেন, ভবেশবাবু কি মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছেন? নাকি অ্যালঝাইমার ধরল? ভবেশবাবু বুঝতে পারছেন, তাঁর সাম্প্রতিক আবিষ্কার তাঁকে নিরন্তর উত্যক্ত করে রাখছে। কিন্তু তিনি নিরুপায়।
                   * * * * * * * *
পেনসনার্স এ্যাসোসিয়েশন এবার দুর্গাপুরে  বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে। ভবেশবাবু যাচ্ছেন। ঠিক হয়েছে, যে যাঁর নিজের মতো চলে যাবেন। সিটি সেন্টারের একটা হোটেলে মিটিং হবে। পরের দিন সকালে জলখাবার খেয়ে ছুটি। তারপর যেমন এসেছিলেন সেভাবেই সবাই ফিরে যাবেন।

ভবেশবাবু ধর্মতলা থেকে একটা সরকারী বাসে দুর্গাপুর যাচ্ছেন। ভোর পাঁচটায় বাসে চড়েছেন। সাড়ে আটটা নাগাদ পৌঁছবে। কিন্তু ডানকুনি যেতেই দেখা গেল বিশাল জ্যাম। রাস্তা প্রায় বন্ধ। এদিকে গরমও পড়েছে প্রবল। গরমে ভীড়ে ভবেশবাবু হাঁসফাঁস করতে লাগলেন। বাস চলতে শুরু করলেও খুবই ধীর গতিতে চলছে। ঠিকমতো চললেও আরো ঘন্টাদুয়েক লাগবে। অতিষ্ঠ ভবেশবাবু ভাবলেন, কি ভালই যে হতো, বাসটা যদি অর্দ্ধেক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে যেত। কিন্তু সেটা কি চাইলেই হবে। আজ কপালে দুর্ভোগ লেখা আছে।

কিন্তু যেমন ভাবা, তেমনি কাজ। হঠাৎ জ্যাম কাটিয়ে বাসটা দুরন্ত বেগে ছুটতে লাগল। মনে হল, চালক নষ্ট হওয়া সময়টা পূরণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে। হঠাৎ বাসের যাত্রীদের মধ্যে একটা সোরগোল উঠল। বাসটা কি অতিরিক্ত জোরে ছুটছে? এত জোরে ছুটলে চালক সামলাবেন কি করে? মুহূর্ত পরেই জানা গেল যে বাসের ব্রেক কাজ করছে না। ফলে চালক আপ্রাণ চেষ্টা করেও বাসকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না। হঠাৎ কাউকে কিছু করার সুযোগ না দিয়ে বাসটা একটা সেতুর ধারে সজোরে ধাক্কা খেয়ে নীচে জলায় পড়ে গেল। জলায় এতটাই জল ছিল যে বাসটা প্রায় পুরোটাই ডুবে গেল। ভবেশবাবু ভাবলেন, ‘আমি তাড়াতাড়ি যেতে চেয়েছিলাম ঠিকই। কিন্তু কইএকবারও তো দুর্ঘটনায় পড়ার ইচ্ছা হয়নি

কয়েক ঘন্টা পরে সেতুর উপরে প্রায় ভেসে থাকা অবস্থায় ভবেশবাবু দেখলেন, উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা তাঁর নিজের প্রাণহীন নিস্তেজ দেহটা অনেক কষ্টে নীচের পাঁক থেকে উদ্ধার করে উপরে নিয়ে আসছে।
                       – শেষ
—————————————————
চন্দ্রকান্তি দত্ত

লেখক পরিচিতি (চন্দ্রকান্তি দত্ত):
ভারতীয় জীবন বীমা নিগমের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। জন্ম মহারাষ্ট্র রাজ্যের পুনা শহরে ১৯৫৯ সালে। স্কুল শিক্ষার শুরুটা পুরুলিয়ায় হলেও, প্রায় পুরোটাই হয়েছে দুর্গাপুরে। উচ্চ শিক্ষাও সেখানেই। নিজেকে লেখক না বলে গল্পকার বলতেই বেশী ভালবাসেন। লেখার শুরু গত শতকের নয়ের দশকের শেষ দিকে,তাও একজন সিনিয়র সহকর্মীর উৎসাহ ও চাপে। সেই থেকে টুকটাক লিখলেও,শারীরিক অসুস্হতার কারণে  লেখাতে ছেদ পড়েছে অনেকবার। এখন,চাকরী থেকে অবসরের পরে,প্রায় নিয়মিত লেখেন। গল্প ছাড়াও কয়েকটি কবিতাও লিখেছেন-বাংলা ও হিন্দিতে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত !!