
হেঁটে দেখ কলকাতা
শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য
শুধু কলকাতা ভালোভাবে দেখতে গেলে জীবনের অর্ধেক সময় চলে যায়। স্বদেশি কলকাতা আর ব্রিটিশ কলকাতার ভাগ এখনও স্পষ্ট। পায়ে হেঁটে যে কোনো একটি এলাকায় ঘুরলে দেখা বেশ সুখের হয়। হাঁটতে হাঁটতে স্বাদ নেওয়া যায় বিভিন্ন সুস্বাদু খাবারের। এবারে সুতানুটি অঞ্চলে পাথুরিয়াঘাটায় ঘুরে বেড়ানো যাক।
সুতানুটিতে রাস্তা ও প্রাসাদ নির্মাণের জন্য নুড়ি পাথরের ব্যবসার একটি কেন্দ্র এখানে গড়ে উঠেছিল বলে এই অঞ্চলকে নুড়িহাটা বলা হতো। পরে নদীর ধারে পাথর দিয়ে বাঁধানো ঘাট থেকে জায়গার নাম হয় পাথুরিয়াঘাটা। গঙ্গার বিস্তীর্ণ উপকূলভাগে কেবল ঘোষবাড়ি, মল্লিকবাড়ি ও ঠাকুরবাড়ি ছাড়া আর কোনো বসতি ছিল না। বর্তমানে রমণীয় পরিবেশের বদলে অনিয়ন্ত্রিত জনারণ্যে পরিণত হয়েছে।
গঙ্গার ধারে উত্তরে নিমতলা ঘাট ও দক্ষিণে জগন্নাথ ঘাটের মধ্যে সুদীর্ঘ সুন্দর লোহার ফ্রেমে তৈরি করা চাঁদনি-সমেত রয়েছে প্রসন্নকুমার ঠাকুরের ঘাট, যেটিকে পাথুরিয়া ঘাটও বলা হয়ে থাকে। এর আশেপাশে দু-একটি ছোট ঘাট দেখা যায়।
টেগোর ক্যাসেল – পাথুরিয়াঘাটায় প্রসন্নকুমার ঠাকুর স্ট্রিটে অন্যতম সুরম্য অট্টালিকা হল টেগোর ক্যাসেল। ভবনের গম্বুজ-মিনার সূচালো। ইংল্যান্ডের ক্যাসেলের আদলে এই অট্টালিকাটি ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে প্রসন্নকুমার ঠাকুর তৈরি করেন। প্রসন্নকুমার জন্মগ্রহণ করেন ১৮০৩ সালে। তাঁর পিতার নাম গোপীনাথ ঠাকুর ও পিতামহ ছিলেন দর্পনারায়ণ ঠাকুর। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য ছাড়াও ওকালতি করে প্রভূত অর্থ উপার্জন করেন। বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ তিনি করেছিলেন সেই সময়ে। ‘দ্য রিফর্মার’ পত্রিকা প্রকাশ, ১৮৩১ সালে হিন্দু থিয়েটার প্রতিষ্ঠা, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে তিন লক্ষ টাকা দান, গঙ্গার তীরে ঘাট নির্মাণ প্রভৃতি। বাড়িটির হাতবদল হয়েছে। আগের দু-একটি মিনার ছাড়া কিছু নেই।
যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের বাড়ি –
টেগোর ক্যাসেলের কাছেই যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের বসতবাড়ি। এই বাড়িতে সাহিত্যের আসরে আসতেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রাজনারায়ণ বসু প্রমুখ। যতীন্দ্রমোহনের তাগিদেই মধুসূদন ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটক রচনা করেন। যতীন্দ্রমোহনের জন্ম ১৮৩১ সালে। তিনি প্রসন্নকুমারের এক ভাই হরকুমার ঠাকুরের পুত্র ছিলেন। যতীন্দ্রমোহনের ভাই সৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর ১৮৭১ সালে বেঙ্গল স্কুল মিউজিকের প্রবর্তন করেছিলেন। সেখানে শাস্ত্রীয় সংগীতের চর্চা হতো। অট্টালিকার বাইরে করিন্থীয় স্তম্ভের সারি আর সমতল ছাদে বাড়িটির বাইরে প্রবেশপথের দু’ধারে ম্যুরাল রয়েছে। বর্তমানে এই বাড়িতেই উত্তরসূরিরা বসবাস করেন। এর পাশেই আছে ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন।
যতীন্দ্রমোহনের বাড়ি থেকে একটু এগিয়ে রয়েছে চোরবাগান মল্লিক পরিবারের এক বংশধর নন্দ মল্লিকের বাড়ি। করিন্থীয় স্তম্ভের দৃষ্টিনন্দন শোভায় গাম্ভীর্যপূর্ণ বাড়িটি অনেকটা জায়গা নিয়ে বেশ সুন্দর। এখান থেকে অল্প পথ গিয়ে রাস্তা ধরলে পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিট। এই রাস্তাতেই রয়েছে আভিজাত্যপূর্ণ কয়েকটি প্রাচীন অট্টালিকা। যে রাস্তার আনাচে-কানাচে রয়েছে বাঙালির নিজস্ব পুরাতন গল্প। এই রাস্তা ধরে একটু গেলেই পড়বে চণ্ডবিশ্বেশ্বর শিবের মন্দির।
*যদুলাল মল্লিকের বাড়ি -* পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিটে নয়নাভিরাম প্রাসাদ তৈরি করেন যদুলাল মল্লিক। এই পরিবারের সঙ্গে মার্বেল প্যালেসের রাজেন মল্লিকদের কোনো যোগ নেই। অষ্টাদশ শতকের প্রথম ভাগে সপ্তগ্রাম থেকে আগত সুবর্ণবণিক নয়নচাঁদ মল্লিক গঙ্গার উপকূলে বড়বাজারের কাছে অট্টালিকা নির্মাণ করে বসবাস করতেন। তাঁর স্বনামধন্য পুত্রের নাম নিমাইচরণ মল্লিক। সেই সময় তিনি অনেকগুলি ভাষায় ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন। তিনি নিরহংকারী ও দানী ব্যক্তি বলে পরিচিত ছিলেন। তাঁদের বাড়ির অধিষ্ঠাত্রী দেবীর নাম ছিল সিংহবাহিনী। এই নিমাইচরণ মল্লিকের স্মৃতিতেই হাওড়া ব্রিজের কাছে মল্লিকঘাট রয়েছে। নিমাইচরণের অষ্টম পুত্র মতিলাল পুরনো ভদ্রাসন ছেড়ে পাথুরিয়াঘাটায় নতুন বাড়ি তৈরি করেন। তিনি বাংলার ১২৩৩ সনে রাধাশ্যামসুন্দর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন। শ্রীরামপুর মাহেশের রথ উপলক্ষে কুঞ্জবাটীও নির্মাণ করেছিলেন।
মতিলালের দত্তক পুত্র ছিলেন যদুলাল। মতিলালের বিশাল উত্তরাধিকারী যদুলালের অনেক ইংরেজ রাজপুরুষের সঙ্গে অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব থাকলেও তিনি ছিলেন উদারচেতা, নির্ভীক ও স্পষ্টবক্তা। ইংরেজ সরকার তাঁকে রাজা উপাধিতে ভূষিত করতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে যখন পাথুরিয়াঘাটায় ঠাকুরবাড়ি, ঘোষবাড়ির জৌলুস ছিল, তখন মল্লিকবাড়ির তেমন ছিল না। সেই কারণে পৈতৃক বাড়ি ভেঙে তার ওপরেই নয়নাভিরাম এই ত্রিতল প্রাসাদ তিনি তৈরি করেন। অজস্র কক্ষের বাড়িটি বিলাতি আসবাবে, অমূল্য তৈলচিত্রে ও বহুবর্ণের ঝাড়লণ্ঠনে সাজিয়ে তোলেন। অপ্রচলিত ঢালাই লোহার থামের ওপর খিলান করা ঠাকুরদালানটি খুব সুন্দর। এর সামনেই ঢালাই লোহার বাতিদানের খুঁটি ও শামিয়ানা টাঙানোর খুঁটি রয়েছে। এই বাড়িতে রামকৃষ্ণদেব এসেছিলেন, সেই স্মৃতিতে প্রতিবছর জুলাই মাসে অনুষ্ঠান হয়। বাড়ির কুলদেবতা সিংহবাহিনী দেবী পালা করে বিভিন্ন বংশধরের বাড়িতে থাকেন। এখানে এখনও পুরনো বংশধররা থাকেন, তাই ভেতরে প্রবেশের অনুমতি লাগে।
বর্তমানে সংস্কারহীন হলেও অতীত স্থাপত্যের স্বাক্ষর বহন করছে বাড়িটি।
ঘোষ বাড়ি –
মল্লিকবাড়ি থেকে একটু এগোলেই ঘোষেদের প্রাসাদোপম দুটি বাড়ি। প্রথমটি হল ভূপেন্দ্রকৃষ্ণ ঘোষের বাড়ি ও তার পরেরটি খেলাতচন্দ্র ঘোষের বাড়ি। দুটি বাড়িতেই দুর্গাপূজা হয়। তখন বাড়িদুটিতে প্রবেশ করে দেবী দর্শন করা যায়। অন্য সময় হলে বাইরে থেকে বাড়িদুটি দেখে নিতে হবে। ঘোষ বংশের আদিপুরুষ হলেন রামলোচন ঘোষ, যিনি আলিবর্দির আমলে ভূস্বামী ছিলেন। তাঁর নাতি রামরাম ঘোষ ওয়ারেন হেস্টিংসের দেওয়ান ছিলেন। ওয়ারেন হেস্টিংসকে বিপদ থেকে উদ্ধার করার পুরস্কার হিসেবে প্রচুর ভূসম্পত্তির অধিকারী হয়েছিলেন তিনি। রামরাম ঘোষের পরবর্তী খেলাতচন্দ্র ঘোষ ছিলেন তাঁর উত্তরাধিকারী।
প্রথম বাড়ির ভূপেন্দ্রকৃষ্ণ ঘোষ ছিলেন রামলোচন ঘোষ পরিবারের সদস্য। খেলাতচন্দ্র ঘোষের বাড়ির আগেই এই বাড়ি তৈরি হয়েছিল। বাইরে থেকে সাধারণ মনে হলেও ভেতরে অনেকটা বিস্তৃত ও সুন্দর ঠাকুরদালান আছে। সুন্দর সিঁড়ি, বেলজিয়াম আয়নার বাহার ঐতিহ্যের জানান দেয়। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ভূপেন্দ্রকৃষ্ণ ঘোষ। বাড়ির দোতলার হলঘরে ভারতীয় সংগীত জগতের বড় বড় সংগীতজ্ঞরা এই বাড়ির আতিথেয়তা পেয়েছেন। তাঁর পুত্র মন্মথনাথ ঘোষও এই পথের অনুসারী ছিলেন।
এরপরের বড় থামওয়ালা আরও একটি প্রাসাদোপম বাড়ি হল খেলাতচন্দ্র ঘোষের। তিনি নিজে ছিলেন শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার প্রসারে অনেক অর্থ দান করেছেন। টালা ট্যাঙ্কের জন্যও জমি দান করেছিলেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বিরাট ঠাকুরদালান-সহ এই বাড়ি নির্মাণ করেন। বিরাট প্রাঙ্গণে একধারে ঠাকুরদালান ও চারপাশে সারি দিয়ে ঘর, বারান্দা। বাড়িটি শৌখিন আসবাব, অমূল্য তৈলচিত্র, ভাস্কর্য ও সুদৃশ্য ঝাড়লণ্ঠনে সাজানো আছে। আরাধ্য দেবতাদের মধ্যে আছেন নারায়ণ, মধুসূদন, গোপাল, দুর্গা ও জগদ্ধাত্রী। খেলাতবাবুর দত্তক পুত্রের নাম রামনাথ ঘোষ। সেই ঘোষবাড়িতেই পরবর্তী বংশধররা বসবাস করেন।
হরকুটির – এই রাস্তা ধরে একটু এগোলে দু’দিকে প্রাচীন সব বাড়ি। সামনে রয়েছে আধুনিক শ্রীবিহারীজি মন্দির। তারপরেই প্রাচীন হরকুটির। ছোট দরজা দিয়ে প্রবেশ করে বিরাট প্রাঙ্গণে ঠাকুরদালান ও চারপাশে দ্বিতল ভবন। হরপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সাধক ও গায়ক। হরপ্রসাদের সঙ্গে মিলনের জন্য ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ১২৭৯ সনে পদার্পণ করেছিলেন এই বাড়িতে। সংগীতজ্ঞ যদু ভট্টও কিছুদিন ছিলেন এখানে। দুর্গাপুজোয় বাড়িটি সরগরম থাকে। দুর্গামণ্ডপে বিরাট শিবলিঙ্গের নিত্যপূজা হয়।
পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিট ধরে একটু হাঁটলেই রাস্তা রবীন্দ্র সরণিতে মিশেছে। বাঁদিকে গেলে নতুন বাজার। সাহেবদের জন্য যখন হগ মার্কেট বা নিউ মার্কেট তৈরি হয়, তারপরেই তৈরি হয়েছিল দেশীয় মানুষদের জন্য নতুন বাজার। এখানকার খোয়া ক্ষীর ও মিষ্টির খুব সুনাম আছে। এখানে দশকর্মার সব জিনিস, পুজোর উপকরণ, পাতার থালা, দেশজ দড়ি থেকে অন্নপ্রাশন, উপনয়ন, বিয়ে ও শ্রাদ্ধের কাজের সব উপকরণ পাওয়া যায়। কাছেই আছে ১৮২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ওরিয়েন্টাল সেমিনারি স্কুল। বিখ্যাত বাঙালি গোরাচাঁদ বসাকের বাসস্থান ছিল এটি। ১৮৩০ সালে আলেকজান্ডার ডাফ এখানে জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশনের কার্যালয় করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিছুদিন এখানে পড়াশোনা করেছিলেন।
রবীন্দ্র সরণির ওপরেই গড়ে উঠেছে চিৎপুরের যাত্রাপাড়া। স্বাধীনতার পরবর্তী কাল থেকে এই অঞ্চলে একের পর এক যাত্রার দল তাদের দপ্তর খুলতে থাকে। ক্রমশ এই এলাকাটি যাত্রাপাড়া নামে পরিচিত হয়। একসময় যা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল, তার রমরমা এখন আর তেমন না থাকলেও অনেক যাত্রাদলের দপ্তর রয়ে গেছে এখানেই।
এর পরেই নিমু গোস্বামী লেনে আছে শ্রীরামকৃষ্ণের শিষ্য অভেদানন্দজির জন্মস্থান।
মল্লিক বাড়ি – এবার আবার রবীন্দ্র সরণি ও পাথুরিয়াঘাটার মোড়ে এসে ডানদিকে গেলে প্রথমে পড়বে মল্লিকদের বাড়ি। বৈষ্ণবদাস মল্লিক পরিবারের দুটি শাখার একটি হল রাজেন্দ্র মল্লিকের পিতা নীলমণি মল্লিকের পরিবার ও অপরজন চিৎপুরের আশুতোষ মল্লিকের পরিবার। ঘড়িবাড়ি নামে খ্যাত এই বাড়িটি আশুতোষবাবু ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে ব্যবসায়ী মধুসূদন সান্যালের কাছ থেকে কিনেছিলেন। বড় বড় করিন্থীয় স্তম্ভযুক্ত লাল রঙের বাড়িটি রাস্তার ওপর সদর্পে দাঁড়িয়ে আছে। এই বাড়িতেই ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে ‘নীলদর্পণ’ নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল। পাশের গলিতেই আছে নহবতখানা, ঠাকুরদালান, মূল্যবান ছবি, পাথর ও ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য-সহ বিরাট বিরাট থামওয়ালা গোরাচাঁদ মল্লিকের বাড়ি।
ঘড়িবাড়ির উল্টোদিকে আছে লোহিয়া হাসপাতাল। বাড়ির সামনে সিঁড়ি, বিরাট থাম। বিশাল ভবনটি অতীতে ছিল বাঙালি হরনাথ শীলের। এরপর প্রদ্যুম্ন মল্লিকের অধিকারে আসে। তারপর বাড়িটি চলে যায় লোহিয়াদের হাতে। বর্তমানে অবশ্য লোহিয়া হাসপাতাল হাতবদল হয়ে নাম হয়েছে চার্নক হাসপাতাল।
এর পাশেই আছে কে. সি. দাসের প্রথম মিষ্টির দোকান। বর্তমানে দোকানটি এখানে আর নেই, সাইনবোর্ডটি পুরনো দিনের ও রসমালাই আবিষ্কারের কথা জানান দিচ্ছে।
লোহিয়া হাসপাতালের পাঁচিল শেষ হবার পরেই রয়েছে মহালক্ষ্মী মন্দির। শ্বেতপাথরের দেবীমূর্তিটি সুন্দর। সঙ্গে গণেশ, মহাবীর, হনুমান, শিবলিঙ্গের নিত্যপূজা হয়।
এই পথ হাঁটতেই পা ব্যথা হয়ে যাবে, সময়ও লাগবে অনেকটা, তাই পরের হাঁটাটা হবে অন্য পথে।
—————————————–
